ফেসবুক কিভাবে তৈরি হলো?

ফেসবুক কি? ফেসবুক কিভাবে তৈরি হলো? ফেসবুকের ভবিষ্যৎ কি?

বর্তমানে ফেসবুক ব্যবহার করে না এমন মানুষকে বোধহয় খুঁজে পাওয়া মুশকিল।  শহরের  একজন বড় শিল্পপতি থেকে  শুরু করে গ্রামের  প্রত্যন্ত মাঠে কাজ  করা  একজন কৃষকেরও  আজ ফেসবুক  অ্যাকাউন্ট রয়েছে। 

আমাদের আজকের  আলোচনার বিষয় হলো-

 ফেসবুক কি?

সহজ কথায়, বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয়  সামাজিক  যোগাযোগ মাধ্যম হলো ফেইসবুক। সবচেয়ে জনপ্রিয় হবার  কারন  হিসেবে  বলা যায়  এটি একটি ফ্রী সোস্যাল প্লাটফর্ম যেখানে যে কেউ কেবলমাত্র নিজের একটি  একাউন্ট খোলার মাধ্যমেই ব্যবহার করতে পারেন। উইকিপিডিয়ার ভাষ্যমতে  বড়  সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট গুলোর মধ্যে ফেসবুকের অবস্থান চতুর্থ। এর আগে রয়েছে গুগোল সার্চ,  ইউটিউব এবং  এবং চাইনিজ একটি ওয়েবসাইট। ফেসবুকে অনেকেই ফেবু নামেই চিনে থাকেন। 

বর্তমানে   সমসাময়িক  বিভিন্ন  ভাইরাল খবর-এর আর্কাইভ এ পরিণত হয়েছে ফেসবুক।  ফেসবুকে  কনটেন্ট তৈরি করার মাধ্যমে,  আজকাল অনেকে পয়সাও ইনকাম করছেন।  মূলত এটি এমন একটি সাইট,  যেখানে একজন তার ব্যক্তিগত বিভিন্ন  তথ্য বা  বা ঘটনা  অন্যদের কাছে শেয়ার করতে পারেন। আবার অন্যদের শেয়ারকৃত   পোস্টে  নিজের অভিমত ও  প্রকাশ করতে পারেন।  আর এই  কারণেই,  বর্তমানে ফেসবুকের এত জনপ্রিয়তা।  

তবে  ফেইসবুক প্রথম যখন তৈরি করা হয়েছিল,  তখন কিন্তু  এভাবে সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল না।  আসলে শুরুর দিকে কোন কিছুই  সার্বজনীন হয় না।মার্ক জাকারবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরুর  বর্ষে  ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে  ভালো জানাশোনার জন্যই ফেইসবুক তৈরি করেছিলেন। কিন্তু  দেখুন তার এই  ছোট্ট আবিষ্কারের কারণেই  সে আজ  বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের একজন।  সাফল্য কখনো কাউকে জানান দিয়ে আসে না। নিষ্ঠার সাথে  কাজ  করে গেলে  সাফল্য একদিন আপনার কাছেও ধরা দিবে।

ফেসবুক কিভাবে তৈরি হলো?

আসলে ফেইসবুক যখন তৈরি  করা হয়েছিল,  তখন কেবল মাত্র  ইউনিভার্সিটির   এক বর্ষে শিক্ষারত কয়েকজন শিক্ষার্থীর মাঝে যোগাযোগ নিশ্চিত করাই ছিল এর প্রত্যক্ষ উদ্দেশ্য। ফেইসবুক নামটা কিন্তু সেখান থেকেই এসেছে। তবে প্রথমদিকে ফেইসবুকের নাম ছিল ফেসম্যাশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ একটি বই তৈরি করেছিল, যার নাম ছিল ফেইসবুক। আর সেখানে শিক্ষার্থীদের মাঝে উত্তম জানাশোনার অভিপ্রায়ে সকল শিক্ষার্থীর কিছু ব্যক্তিগত তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।সেই  বিশ্ববিদ্যালয়েরই একজন শিক্ষার্থীর নাম ছিল মার্ক জাকারবার্গ। সেই ছেলেটির প্রোগ্রামিং এর প্রতি ছিল প্রচুর আগ্রহ আর প্যাশন। 

সে কী করল? নিজেই একটি ওয়েবসাইট বানালো। আর তাকে সাহায্য করল এডুয়ার্ড সেভেরিন, ডাস্টিন মস্কোভিটজ এবং ক্রিস হিউজ নামে তারই কিছু কক্ষনিবাসী। আর সেই ওয়েবসাইটে সব শিক্ষার্থীর একটি আইডি থাকবে বলে ঠিক করা হল। এর জন্য মার্ক জাকারবার্গ কে হার্ভার্ড এর সংরক্ষিত তথ্যকেন্দ্রে অনুপ্রবেশ বা হ্যাক করতে হয়েছিল, আর যুক্ত করা হলো একে অপরের সাথে যোগাযোগ করার জন্য থাকবে মেসেজিং করার অপশন। আবার নিজেদের লেটেস্ট কিছু তথ্য বা ঘটনাও অন্যদের সাথে শেয়ার করার জন্য তৈরি করল আরেকটি অপশন। খুব কম সময়ের মধ্যেই অয়েবসাইটটি সকলের খুব প্রিয় হয়ে উঠলো।

ইন্টারনেট কি? ইন্টারনেট কিভাবে তৈরি হলো? জানতে এখানে ক্লিক করুন

ফেসবুকের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং দ্রুত অগ্রগতি

মার্ক জাকারবার্গ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় বর্ষের ছাত্র থাকাকালীন ২৮ অক্টোবর ২০০৩ সালে ফেসম্যাশ নামে একটি সাইট তৈরি করেন। এতে তিনি ব্যবহার করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ টি হাউসের শিক্ষারথীদের ছবি। আর সেখানে পাশাপাশি দুইটি ছবি ব্যবহার করে হার্ভার্ডের সকল শিক্ষার্থীদের ভোট দিতে বলেন যে কোন ছবিটি হট আর কোন ছবিটি হট নয়। সংক্ষেপে হট অর নট। এর মাত্র চার ঘন্টার মধ্যেই প্রায় ৪৫০ ভিজিটর ২২০০০ ছবিতে ভোট দেন। তারপর ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে মার্ক জাকারবার্গ ফেসমাস থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তার নতুন সাইট ফেসবুক ডট কম এর কোড লেখা শুরু করেন।সেই বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ১০ লাখ। এরপর ২০০৫ সালের আগস্টে ফেসবুক ডট কম নাম পালটে কোম্পানীর নাম রাখা হয় শুধু ফেইসবুক। ২০০৫ এর ডিসেম্বরের মধ্যে ফেসবুকের মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যা হয় ৫৫ লাখ।

২০০৬ সালে ফেইসবুকের সাথে কৌশলগত কারণে মাইক্রোসফট যোগ দেয়।এর আগে ফেসবুকের ব্যবহারকারীরা ছিল শুধু বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্মচারী।  তবে ডিসেম্বরের মধ্যে  ফেসবুকের সর্ব মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় 1 কোটি 20 লাখে।  তারপর 2007 সালে ভার্চুয়াল গিফট শপ চালু করার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সংখ্যা 2 কোটি তে পৌঁছায়। 2009 সালে 35 কোটি এবং 2010 সালের মধ্যে ফেসবুকের মোট ব্যবহারকারী হয় প্রায় 55 কোটির অধিক। বর্তমানে  মোট এক্টিভ ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় আড়াই বিলিয়ন এর মত। 

ফেইসবুকের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ

ফেসবুকে আপনি  লিখে পোস্ট করতে পারেন,  বিভিন্ন ছবি শেয়ার করতে পারেন,  অনেক  ধরনের ভিডিও  আপলোড করতে পারেন, অন্যের পোস্টে লাইক, কমেন্ট কিংবা শেয়ার করতে পারেন। তবে এর বাইরেও যে ফেসবুকের মাধ্যমে অনেক কিছু করা যায়, তা হয়তো আমরা  অনেকেই জানিনা। এই অংশে আমরা আলোচনা করব,  ফেসবুকের  এমন কিছু অজানা কাজ, যা আমরা অনেকই উপেক্ষা করে চলি-

ফেইসবুক পেইজ- আমাদের যারা ফেইসবুক ব্যবহার করি অনেকেই হয়তো ফেইসবুক পেইজ নামটা কখনো না কখনো শুনে থাকবো। তবে এর আসল কাজ সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না। ফেইসবুকের পেজ হলো এমন একটি অংশ , যার মাধ্যমে আমরা আমাদের পরিচিত ফ্রেন্ডদের বাইরেও আরো অনেক মানুষের কাছে পৌছাতে পারি। মূলত যখন কেউ তার সার্ভিস নিয়মিত কিছু মানুষের বাইরেও একটি বড় সংখ্যক কোনো মানুষের কাছে পৌছাতে চায়, তখন সে ফেইসবুকের এই সুবিধাটি কাজে লাগিয়ে থাকে। তবে এর জন্য আপনাকে আপনার ফেইসবুক পেইজটি বুস্ট করার প্রয়োজন রয়েছে। তা না হলে, আপনার পেইজটি অল্প সংখ্যক কিছু মানুষ ছাড়া আর বেশিদূর পৌছাতে পারবে না। সহজভাবে যদি বলি, তা হলে বলতে হয়, ফেইসবুকের এটি এমন একটি ফিচার যার মাধ্যমে একজন তার ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা কিছু মানুষের বাইরেও আরো অনেক মানুষের কাছে তার সার্ভিস টি সম্পর্কে জানান দিতে পারে।

ফেইসবুক গ্রুপ- ফেইসবুক গ্রুপ সম্পর্কে আপনারা হয়তো অনেকেই এর আগেই কিছুটা হলেও জানাশুনা রাখেন। কারণ আজকার ফেইসবুক গ্রুপ বিষয়টি অনেক পপুলার হয়ে উঠেছে। ফেইসবুক পেইজ এর মত এটিও ফ্রেন্ডলিস্টের বাইরেও আরো কিছু মানুসের সাথে যোগাযোগ করার উদ্দশ্যে ব্যবহার করা যায়। ফেইসবুক গ্রুপ হলো এমন একটি বিষয় যার মাধ্যমে আপনি এবং গ্রুপ এ যুক্ত হওয়া মেম্বারগুলো একে অপরের সাথে নিজেদের ইচ্ছামত কিছু তথ্য আদান প্রদার করতে পারেন। মূলত কোনো একটি নির্দিষ্ট কমিউনিটির মাঝে যোগাযোগ আরো এর ধাপ এগিয়ে নিতে ফেইসবুকের এই ফিচারটি ব্যবহার করা হয়।

ফেইসবুক জব- নামটা শুনে আপনাদের অনেকেই হয়তো আবাক হচ্ছেন। হ্যাঁ, ফেইসবুকের এই নতুন ফিচারটির মাধ্যমে আপনি কোনো জব পোস্ট করতেপারেন,আবার ফেইসবুকে আপলোডকৃত কিছু জবের জন্য আবেদনও করতে পারেন। এই ফিচারটি ব্যবহার করা খুব সহজ। আপনার ফেইসবুক হোম পেজের থ্রি ডট মেনুতে ক্লিক করলেই আপনি দেখতে পাবেন ‘Jobs’ নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন।সেখানে ক্লিক করলেই, আপনি এর যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে ভালোভাবেই বুঝে যাবেন বলে আশা করি।

ফেইসবুক অফ এক্টিভিটি- বর্তমানে সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ফেইসবুকের এই বিষয়টি সম্পর্কে আমরা হয়ত অনেকেই জানি না। আপনি জেনে অবাক হবেন যে, ফেইসবুকের এই ফিচারটির মাধ্যমে আপনার এমন কিছু ব্যক্তিগত তথ্য ফেইসবুক জেনে নিতে পারে, যা হয়তো আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। আমরা ইন্টারনেট কিংবা মোবাইলে কোনো অ্যাপ ব্যবহার করার অনেক সময়ই না জেনে, ফেইসবুক এপ্রুভাল দিয়ে থাকি। আপনি হয়তো লক্ষ্য করবেন,মাঝে মাঝে এমন পপ আপ আপনার মোবাইলে এসে থাকে যে, ‘Join with facebook’  আর আমরা এতে  কন্টিনিউ করার জন্য না জেনেই ‘yes’ দিয়ে থাকি। আর এর মাধ্যমেই ফেইসবুক কিন্তু  জেনে নিতে পারে আপনি মোবাইলে কোন কোন অ্যাপ ব্যবহার করছেন আর কোন অ্যাপ এর মাধ্যমে কার সাথে যোগাযোগ করছেন।

ঘাবড়াবেন না, ইচ্ছে করলে আপনি ফেইসবুকের এই ফিচারটি অফ করে রাখতে পারেন। এর জন্য আপনাকে ফেইসবুকের সেটিংসে গিয়ে ‘Your facebook information’ এর আন্ডারে ‘Facebook off activity ‘ নামে একটি অপশনে ক্লিক করতে হবে। তারপর সেখানে ইচ্ছে করলেই আপনি ফেইসবুককে আপনার ব্যক্তিগত তথ্যগুলো থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিতে পারেন।

হ্যাকিং কি? হ্যাকার কারা জানতে এখানে ক্লিক করুন

ফেইসবুক গেইমস- কিছুদিন আগে ফেইসবুকে এই ফিচারটি এড করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আপনি আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে থাকে প্রিয় বন্ধুদের সাথে কিছু মজার মজার গেইমস খেলতে পারেন। তবে এই ফিচারটি ইউজ করতে হলে, আপনাকে ফেইসবুক অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে। ব্রাউজারে খেলতে হলে, আপনাকে ডেস্কটপ মুড অন করে নিতে হবে। এর জন্য থ্রি ডট মেনু তে গিয়ে ‘Gaming’ অপশনে ক্লিক করুন । তারপর সেখান থেকে ‘play games’ তে ক্লিক করলেই আপনি ফেইসবুকে অ্যাভেলেএবল গেমসগুলো খেলতে পারবেন।

ফেসবুকের যে কৌশলগুলো আপনার জানা উচিত

ফেসবুকের খুঁটিনাটি- ফেসবুকে আপনি কখন কার ছবিতে মন্তব্য করছেন,  কোথায় পোস্ট করছেন  এর সবকিছু আপনি কোথায় দেখতে পারেন জানেন?  আপনার প্রোফাইলে অ্যাক্টিভিটি লোগ নামে একটি অপশন আছে। সেখান থেকে আপনি জানতে পারেন ইতোপূর্বে আপনি ফেসবুকের মাধ্যমে কি কি করেছেন। সেখান থেকে লগ ফিল্টারও করতে পারেন আপনি।

সিক্রেট কনভারসেশন- আপনি কি ফেসবুকে কারো সাথে গোপনে কোন কথা বলতে চান?  হোয়াটসঅ্যাপে এন্ড টু এন্ড  এনক্রিপশন  আগে থেকেই চালু করা থাকে,  তবে ফেইসবুকে এটি চালু করতে হলে মেসেঞ্জারে সেটিংস অপশনে একটি বাটন  অন করে নিতে হয়।  সেখানে আপনি ইচ্ছে করলে মেসেজগুলো ডিলিটও করে দিতে পারেন।

এইচডি আপলোড-  ফেসবুকে যখন কোন ছবি আপলোড করা হয় তখন,  ফেইসবুক নিজে থেকেই সেগুলোকে রিসাইজ করে নেয় যাতে ড্যাটা খরচ কম হয়। তবে ইচ্ছে করলে আপনি এইচডি ছবি ও ফেসবুকে আপলোড দিতে পারেন। এই ফিচারটি অন করার জন্য সেটিংসে গিয়ে আপনাকে এইচডি অপশনটি চালু করে নিতে হবে। 

ফেসবুকের উত্তরসূরী- এবার বলুন তো, আপনি মারা যাবার পর আপনার ফেসবুক একাউন্ট এর কি হবে?? হ্যা আপনি যদি কাউকে ঠিক করে না যান তাহলে কিন্তু সেটি আগের মতই রয়ে যাবে। ফেইসবুকের এই ফিচারটির মাধ্যমে আপনি আরেকজনকে ঠিক করে রাখতে পারেন আপনার ফেসবুক একাউন্ট টির উত্তরসূরি হিসেবে। যে পরবর্তীতে আপনার একাউন্ট নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। এর জন্য ফেসবুক সেটিংস এ গিয়ে লিগেসি কন্টাক্ট নির্বাচন করুন।

গ্রুত্বপূর্ন খবর- আমরা যারা ফেইসবুক নিয়মিত ব্যবহার করে থাকি তারা অনেকেই বিভিন্ন সাইটে কিংবা পেইজে ফলো দিয়ে রাখি। তবে এর মধ্যে কিছু কিছু সাইট আছে যেগুলা খুব গুরুত্বপূর্ন এবং আপনি আমি সবার আগে সেই  সেই সাইটগুলোর পোস্টগুলোই দেখটে চাই। কিন্তু নিউজফিডে হাজার হাজার পোস্টের মাঝে সেগুলো হারিয়ে যায়। তবে আপনি সেটিংসে গিয়ে ‘Prioritize who to see first’ অপশনে ঠিক করে নিতে পারেন , ফেসবুক আপনাকে সবার আগে কোন সাইটগুলোর নিউজ দেখাবে। 

শেষে আমি আপনাদের একটি কথাই বলব, ফেসবুকের এই যে এত ভালো দিক দেখতে পাচ্ছেন; তবে এর কিন্তু কিছু নেগেটিভ দিকও রয়েছে। যেগুলো নিয়ে ইতোমধ্যে অনেক সমালোচনাও হয়ে গেছে। যেমনঃ একাউন্ট হ্যাক, তথ্য চুরি,সময়ের অপব্যয়, অসামাজিকতা এবং আরো অনেক নেতিবাচক বিষয়। তাই আমি আপনি আমাদের উচিত এসব বিষয় নিয়ে সচেতন থাকা এবং ফেসবুক কে ভালো কোনো কাজে ব্যবহার করা। আরেকটি বিষয়ে আমাদের খেয়াল রাখা জরুরি তা হলো আমরা যেন ফেসবুক নিয়ে অনেক বেশি সময় ব্যয় না করে ফেলি। এসব বিষয় মাথায় রাখলেই  আমরা কেবল ফেইসবুকের আসল উদ্দ্যেশ্য সাধন করতে পারবো।

Leave a Reply