অ্যান্ড্রয়েড এর ইতিহাস

এন্ড্রয়েড কী?এন্ড্রয়েড সফল হলো কিভাবে? অ্যান্ড্রয়েড এর ইতিহাস

বর্তমানে একজন আশি বছরের বৃদ্ধ থেকে শুরু করে ২ বছরের বাচ্চাদের কাছেও মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। আপনি কি জানেন, এর পেছনে প্রযুক্তিগত মূল কারণটি কী হতে পারে?

সেটি এন্ড্রয়েড নামে একটি অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া আর কিছুই নয়। কি অবাক হলেন? এখন এন্ড্রয়েড নামটা শুনলেই আমাদের সামনে এমন এক কালারফুল  ইউজার ইন্টারফেস  এর ছবি ভেসে আসে,  যেখানে রয়েছে  মিলিয়ন মিলিয়ন  অ্যাপস  আর হাজার হাজার  গেমস।  এছাড়াও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমটি  এমন সব কাস্টমাইজেশন এ ভর্তি যা যতটা না সহজ ততটাই ইন্টারেস্টিং। 

তবে আপনি কি জানেন,  আমরা আজকের যে অ্যান্ড্রয়েড  ব্যবহার করছি,  তা সব সময় একই রকম ছিল না। এমনকি এখন থেকে মাত্র 5/6 বছর আগের একটা এন্ড্রয়েড ফোন আপনার হাতে দিলে আপনি একে অন্যতম এক বিরক্তিকর ইন্টারফেস বলেই  গণ্য করতেন।  

 অ্যান্ড্রয়েড কি?

খুব সহজভাবে বলতে গেলে অ্যান্ড্রয়েড হল বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয়  এবং  বহুল ব্যবহৃত একটি ওপেনসোর্স মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। ওপেন সোর্স মানে হলো এই সফটওয়ারটির সোর্সকোড গুলো সর্বপ্রকার মানুষের জন্য ব্যবহার ও পরিবর্তনের  অভিলক্ষ্যে উন্মুক্ত করা হয়েছে।  অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম মডিফাইড লিনাক্স কার্নেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।  এই সফটওয়্যারটি বর্তমানে  গুগোল নিয়ন্ত্রণ  এবং  উন্নয়ন করে থাকে।  বর্তমানে প্রায় সব ধরনের স্মার্টফোনে অ্যান্ড্রয়েডকে  অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।  আর এজন্যই বর্তমান বিশ্বের শীর্ষ বিক্রিত স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে অ্যান্ড্রয়েডকে  গণ্য করা হয়। 

অ্যাপল কত বড়? অপ্যাল এর ইতিহাস

এন্ড্রয়েডের পরিসর এবং এপ্লিকেশন?

বর্তমানে পৃথিবীতে  হাজার হাজার  অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলোপার রয়েছে। আর তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়  এখন পর্যন্ত প্রায় 35 লাখের উপর  এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন গুগল প্লে স্টোরে  রয়েছে।  নাম শুনেই বুঝতে পারছেন এটি গুগলেরই একটি  অ্যাপ্লিকেশন মার্কেট, যেটি বর্তমানে  অনেক স্মার্টফোনেই আগে থেকে দেয়া থাকে।  ডেভলপাররা  অ্যাপ্লিকেশনগুলো মূলত জাভা  প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ  ব্যবহার করে তৈরি করেন।  আর  এটি নিয়ন্ত্রণ করা হয়  গুগোল  জাভা লাইব্রেরির মাধ্যমে। এন্ড্রয়েড বিতরণ উন্মুক্ত করা হয় ৫ নভেম্বর ২০০৭ সালে যখন প্রথম ওপেন  হ্যান্ডসেট  অ্যালায়েন্স  শুরু করা হয়।  আর সেখানে  আশিটি হার্ডওয়্যার,  সফটওয়্যার এবং টেলিকম কোম্পানি সংযুক্ত ছিল।  এদের সকলের একটাই উদ্দেশ্য ছিল  একটি মুক্ত আদর্শ মোবাইল প্লাটফর্ম তৈরি করা।  আপনি জেনে অবাক হবেন যে,  অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমটি প্রায় 12 মিলিয়ন কোডিং লাইনের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে।  আর সেখানে প্রায় তিন মিলিয়ন এক্স এম এল লাইন, প্রায়  2.5 মিলিয়ন  সি ( প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ)  লাইন ,  2.1 জাভা লাইন ,  1.75 মিলিয়ন সি++( প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ) লাইন রয়েছে।

এন্ড্রয়েডের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

এর শুরুটা কেমন ছিল?

আজকাল আমরা স্মার্টফোন মানেই ধরে নিই এন্ড্রয়েড ফোন। তবে শুরুট কিন্তু ছিল একেবারেই আলাদা। আমাদের মাঝে অনেকেই মনে করেন, এন্ড্রয়েড সিস্টেমটি গুগলই সর্বপ্রথম তৈরি করেছিল, আসলে এটি একটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। এন্ড্রয়েডের ইনকর্পরেটটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল ২০০৩ সালের অক্টোবরের দিকে। সর্বপ্রথম যিনি এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমটি তৈরি করেছিলেন, তার নাম হলো এন্ডি রুবিন, অনেকেই হয়তো চিনে থাকবেন। সে এবং তার কয়েকজন সহকর্মীরা তখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছিলেন। তাই সেই সময় তাদের এন্ড্রয়েডের চালু করার কাজগুলি অনেকটা গোপনে করতে হতো, আর তাদের প্রতিষ্ঠানকে বলা হয়েছিল, তারা মোবাইলের একটি সাধারণ সফটওয়্যারের উপর কাজ করছে। আপনি কি জানেন, যখন এন্ড্রয়েড প্রথম তৈরি করা হচ্ছিল, তখন ডেভেলপারদের সেটি মোবাইলেই ব্যবহার করার উদ্দেশ্য ছিল না। তাদের এবং কোম্পানির প্রাথমিক উদ্দেশ্যই ছিল ডিজিটাল ক্যামেরার জন্য একটি উন্নতমানের অপারেটিং সিস্টেম বানানো। কিন্তু পরে যখন তারা বুঝতে পারে, ডিজিটাল ক্যামেরার বাজার খুব একটা ভালো না তখন থেকেই তারা এন্ড্রয়েডকে মোবাইলের উপযোগী একটা ওএস এ তৈরি করার চেষ্টায় লেগে যান। 

তখন তাদের উদ্দেশ্য হয়ে যায় সিমবিয়ান এবং মাইক্রোসফট এর উইন্ডোজ মোবাইল অপারেটিং সফটওয়্যার গুলোর সাথে পাল্লা দেবে। কিন্তু বাইরের সাধারণ মানুষের কাছে  বলে তারা শুধু মোবাইলের একটি সফটওয়্যার নিয়েই কাজ করছিল।

গুগল ও এন্ডয়েড

তখন পর্যন্তও এন্ড্রয়েড নামটা সবার কাছে তেমন একটা পরিচিত ছিল না। তারপর গুগল যখন ২০০৫ সালের ১৭ই আগস্ট এন্ড্রয়েড ইনকর্পরেটেড কিনে নেয়, তখন থেকেই শুরু হয় মানুষের মাঝে শোরগোল। একটা গুজব তখন খুব ভালোভাবেই ছড়িয়েছিল। গুগলের কার্‍্যক্রম দেখে অনেকেই ভাবতে থাকে গুগল তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ডের মোবাইল বাজারে নিয়ে আসতে যাচ্ছে। এমনকি এধরনের একটি খবর বিবিসি এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নালেও প্রকাশ করা হয়। এতদিনে গুগলে রুবিন দ্বারা পরিচালিত একটি দল মোবাইলের প্লাটফর্ম হিসেবে লিনাক্স কারনেল উন্নয়ন করে ফেলে।

গুগোল কিভাবে তৈরি হলো?

অবশেষে গুগল কিন্তু মোবাইল বাজারে ঠিকই প্রবেশ করে, তবে কোন হার্ডওয়ার কোম্পানি হিসেবে নয়; একটি সফটওয়ার কোম্পানি হিসেবে। তখন মূলত গুগল অন্যান্য স্মার্টফোন কোম্পানীগুলোকে সহায়তা করত তারা যেন এন্ড্রয়েড চালিত স্মার্টফোন তৈরি করে। আর গুগল এখনও তাই করে যাচ্ছে। তবে সর্বপ্রথম যে কোম্পানি এন্ড্রয়েড চালিত স্মার্টফোন বের করে সেটি হলো এইচটিসি(HTC)। আর তাদের ফোনগুলোর নাম দেয়া হয়ে ছিল (HTC Dream)।

এরপর থেকেই এন্ড্রয়েডের পথচলা শুরু হয় গুগলের সাথে। আর গুগল সিদ্ধান্ত নেয় তারা সবসময় এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমকে সবসময় আপডেট রাখবে আর যত দ্রুত সম্ভব নতুন নতুন ফিচারস এড করবে।

নোকিয়াকে পেছনে ফেলার মূলে রয়েছে এন্ড্রয়েড

এরপর গুগল অনেক মোবাইল হার্ডওয়ার কোম্পানীকে তাদের মোবাইলগুলোতে এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ইউজ করতে বলে। কিন্তু তখনকার বাজারে সবচেয়ে সার্থক এবং প্রথম মোবাইল ফোন প্রতিষ্ঠান নোকিয়া এন্ড্রয়েডকে বেছে না নিয়ে তারা আগের মত উইন্ডোজই  ব্যবহার করতে থাকে। অন্যদিকে স্যামসাং এর মত অনেক প্রতিষ্ঠান বেছে নেয় এন্ড্রয়েডকে। খুব বেশি দিন নয়, মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই টানা ১২ বছরের সফল প্রতিষ্ঠান নোকিয়াকে পেছনে ফেলতে সক্ষম হয় সাউথ কোরিয়ান কোম্পানি স্যামসাং। যেখানে স্যামসাং এর এন্ড্রয়েড ব্যবহার করে মানুষ পায় হাজার হাজার মজার এপ্লিকেশন, সেখানে নোকিয়ার উইন্ডোজ কিংবা সিমবিয়ান সিস্টেমে হাতে গোনা কয়েকটি অ্যাপ ব্যবহার করে খুশি হতে পারেন নি কেউই। আর এভাবেই ইতিহাস থেকে ছিটকে পড়ে বিশ্বের প্রথম সার্থক মোবাইল ফোন কোম্পানী নোকিয়া।

সার্চ ইঞ্জিন কিসার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে?

সফলতার শীর্ষে যেভাবে উঠলো এন্ড্রয়েড

এন্ডয়েড মূলত সফল হয়েছে গুগলের ছোয়া পেয়েই। গুগলের সাথে যুক্ত হবার পর থেকেই অ্যান্ড্রয়েডের শুরু হয়েছে সফলতার  পথ গোনা।  কিছুদিন পর পর  অ্যান্ড্রয়েডে যোগ করা হয় নতুন নতুন সফটওয়্যার  এবং  আরও নানান রকম সুযোগ-সুবিধা।গুগলের হাত ধরেই  বিশ্বের বিভিন্ন বড় বড়  মোবাইল কোম্পানিগুলোর সাথে কাজ করার সুযোগ পায় অ্যান্ড্রয়েড।  আর সেটিই মূলত  অ্যান্ড্রয়েডকে বিশ্ববাসীর কাছে  সবচেয়ে জনপ্রিয়  অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে পরিণত করেছে। 

অ্যান্ড্রয়েডের বিভিন্ন ভার্শন-

প্রথম প্রথম গুগল অ্যান্ড্রয়েডের কয়েকটা  ভার্সন রিলিজ করার পর থেকেই একটি মজার সিদ্ধান্ত নেয়। তারা প্রত্যেকটি ভার্সন এর নামকরণ করতে থাকে বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি মিষ্টি খাবারের নামে এবং সেগুলো আলফাবেটিক্যাল  অর্ডারের সাজাতে থাকে।  আর এটি এখনো চলছে ভবিষ্যতেও  চলমান থাকবে।  নিম্নে  এন্ড্রয়েডের কিছু সফল  ভার্সন সম্বন্ধে  আলোকপাত করা হলোঃ

Android 1.0(2008)-

 সর্বপ্রথম প্লে স্টোর অ্যান্ড্রয়েডের এই ভার্সনেই এড করা হয়েছিল।  এ ভার্সনেই যোগ করা হয়েছিল  নোটিফিকেশন বার এবং নোটিফিকেশন পুলডাউন ফিচারস।।  প্রথমদিকে একটি আদর্শ স্মার্টফোনের সংজ্ঞা দিতে গেলে অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান কেই উদাহরণ হিসেবে বলা হতো।

Android 1.6(2009)-

 এই ভার্সনে  খুব একটা বেশি  ফিচারস এড করা না হলেও  এই আপডেট থেকেই  মোবাইল ফোনে  শুরু হয় সিডিএমএ  সাপোর্ট।  তাছাড়া  অ্যান্ড্রয়েডের  এই ভার্সনটি আসার পর থেকেই বাজারে  বিভিন্ন স্ক্রীন সাইজ এর  এন্ড্রয়েড মোবাইল  আসতে থাকে।

Android 2.2(Froyo)(2010)-

 অ্যান্ড্রয়েডের এই ভার্শন থেকেই  গুগল তাদের নেক্সাস ডিভাইসের সাথে  ইউজারদের পরিচয় করিয়ে দেয়।  এই আপডেটটি  প্রথম দেওয়া হয়েছিল  নেক্সাস ওয়ান ডিভাইসে।  আর আমরা যে  পার্সোনাল  ওয়াইফাই  হটস্পট  ব্যবহার করে থাকি, তা  অ্যান্ড্রয়েডের এই ভার্সনেই ক্রিয়েট করে দেয়া হয়।

Android 4.4(KItkaT)(2013)-

আমাদের মধ্যে কম বেশি অনেকে এখনও অ্যান্ড্রয়েডের এই ভার্সনটা সাথে পরিচিত।  কেননা  বর্তমানেও অনেক ডিভাইসে এই ভার্সনটি ব্যবহার করা হচ্ছে।  তবে সর্বপ্রথম নেক্সাস ফাইভের সাথে  এবার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল।  তাছাড়া ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে গুগল সার্চ  করা শুরু হয়  অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট ভার্সন থেকেই।

Android 5(Lolipop)(2014)-

 অ্যান্ড্রয়েডের  এই  ভার্সনটিই  ছিল  অ্যান্ড্রয়েড  জেলি বিনের পরে  সব থেকে বড় আপডেট।  আবার  অনেকে   এন্ড্রয়েড ভার্সন কেই  অ্যান্ড্রয়েডের  নতুন যুগের সূচনা  কেন্দ্র হিসেবে  আখ্যায়িত করে থাকেন।   এই ভার্সনে  সর্বপ্রথম  ম্যাটারিয়াল ডিজাইন  এর কাজ সূচনা হয়।  এন্ড্রয়েড টিভিও  শুরু হয় এই ভার্শসন থেকেই।

Android 6.0(Marshmallow)(2015)-

 এই ভার্সনে মূলত  অ্যান্ড্রয়েড  ললিপপের কিছু কিছু প্রবলেম  ফিক্স করা হয় এবং  কিছুটা ইমপ্রুভমেন্ট করা হয়। এছাড়া ফিঙ্গার প্রিন্ট সাপোর্ট এবং ব্যাটারি সেভিং মুড আর ডিপ স্লিপ মুড চালু করা হয় এন্ড্রয়েডের এই ভার্শন থেকে।

Android 10(2019)-

অ্যান্ড্রয়েডে এর সবচেয়ে লেটেস্ট আপডেট ভার্সন হলো এটিই।  নিচে অ্যান্ড্রয়েড টেন এর  সেরা 10 ফিচার উল্লেখ করা হলোঃ

  • লাইভ ক্যাপশন
  • স্মার্ট রিপ্লাই
  • সাউন্ড এমপ্লিফায়ার
  • ডার্ক থিম
  • উন্নত জেশ্চার
  • প্রাইভেসি কন্ট্রোল
  • সিউক্যুরিটি আপডেট
  • ফোকাস মোড
  • ফ্যামিলি লিঙ্ক
  • লোকেশন কন্ট্রোল

বর্তমান এবং ভবিষ্যতের প্রেক্ষাপটে এন্ড্রয়েড-

 অ্যান্ড্রয়েড আমরা হাতের কাছে পেয়েছি  তার কিন্তু অনেকদিন হলো।  তবে বর্তমানে  স্মার্টফোনগুলোতে যেভাবে ইন্টারনেটের গতি  বেড়েছে  তা সত্যিই অভাবনীয়।  স্মার্টফোন জগতে  এখন সবচেয়ে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী হলো এন্ড্রয়েড এবং আইওএস ।  তবে  এন্ড্রয়েডই  বর্তমানে  রাজত্ব করছে।  এর মূল কারণ হলো  অ্যান্ড্রয়েড –চালিত স্মার্টফোনগুলো আই ও এস  চালিত  ফোনগুলো থেকে তুলনামূলকভাবে সস্তা।  এখন বাজারে  2000 থেকে শুরু করে  প্রায় সব বাজেটেরই এন্ড্রয়েড ফোন পাওয়া যায়।  ইন্টারনেটের  মহারাজা  গুগলের হাত ধরে   সর্বপ্রথম  মোবাইলে  এই অপারেটিং সিস্টেমটি ব্যবহার করা হলেও  বর্তমানে  এন্ড্রয়েড চলছে  নোটবুক ট্যাবলেট  কিংবা গুগোল টিভিতেও।  আগামীতেও  ধারণা করা হয় যে,  অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম  অনেক  রোবট চালনার কাজেও ব্যবহার হবে।  কেননা এমন আভাস স্বয়ং গুগলই দিয়েছে। তাই এটা ধরেই নেয়া যায় যে, এন্ড্রয়েড এর ভবিষ্যতও অনেক ভালো। 

তবে এন্ড্রয়েড ফোনে বেশ কিছু সমস্যাও দেখা যায়। যেহেতু এটি একটি অপেন সোর্স সফটওয়ার তাই ভাইরাসের আক্রমণ খুবই সাংঘাতিক। বেশিরভাগ ম্যালওয়ার এন্ড্রয়েডের মাধ্যমেই ছড়িয়ে থাকে। তাই অনেকে এন্ড্রয়েড ব্যবহার না করে, আই এস ও সিস্টেম ব্যবহার করে থাকেন। তবে সে যাই হোক না কেন, এখন পর্যন্ত এত হাজার হাজার আর ইন্টারিস্টিং অ্যাপস কিংবা কালারফুল ফিচারস অন্য কোন অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে আসতে পারেনি। 

Share

Leave a Reply